নিজস্ব প্রতিবেদক
র্যাব-১৩ এর পৃথক অভিযানে রংপুর ও দিনাজপুর থেকে ৩.৮ কেজি গাঁজা এবং ৭৪ বোতল এস্কাফ (ESKuf) জব্দসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
'বাংলাদেশ আমার অহংকার'- এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মাদক নির্মূলে র্যাবের চলমান এই মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় ইং ২৬/০২/২০২৬ তারিখ রাত ০১.৩০ ঘটিকার সময় র্যাব-১৩ সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানাধীন বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন স্টেশন জামে মসজিদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামিদ্বয়ের দেহ তল্লাশী করে আসামিদের কাঁধে ঝুলানো ব্যাগের ভিতর এবং কোমরে বাধা কালো কাপড় দ্বারা বিশেষ ভাবে রক্ষিত ৭৪ বোতল এস্কাফ (ESKuf) জব্দসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী ০১। মোঃ মতিয়ার রহমান মন্ডল (৪৭), পিতা- সিরাজ উদ্দীন, মাতা- মোছাঃ তহমিনা, সাং- ধনসা, ডাকঘর- একইর এবং ০২। মোছাঃ সালমা আক্তার (৪২), স্বামী- ইবাদাত আলী, পিতা- আব্দুল হামিদ, মাতা- মনোয়ারা বেগম, সাং- মঙ্গলপুর, জোতবানী, ডাকঘর- একইর, উভয় থানা- বিরামপুর, জেলা- দিনাজপুর‘দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে ইং ২৬/০২/২০২৬ তারিখ সকাল ০৮.২০ ঘটিকার সময় র্যাব-১৩, সদর কোম্পানী, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুর মহানগরীর পরশুরাম থানাধীন ৬নং ওয়ার্ডের বুড়িরহাট উত্তরকোবারু আমেশ্বর গ্রামস্থ কাকিনা হতে রংপুরগামী পাঁকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামিদের দেহ তল্লাশী করে আসামিদের কোমরে সাদা পলিথিন ও কালো স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো বিশেষ কায়দায় ৩.৮ কেজি গাঁজা জব্দসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী ১। শামসুল হক (৫৬), পিতা-মৃত ছহির উদ্দিন এবং ২। মোফাজ্জল হোসেন (৬৫), পিতা-মৃত মোছাদ্দের, উভয় সাং-লতাবর, ওয়ার্ড নং-১, থানা-কালিগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাট‘দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন ধরে ধৃত আসামিগণ দেশের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয় করে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক ধৃত আসামি ও জব্দকৃত আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।